DESH-BIDESH WEB PORTAL
Welcome to Desh-Bidesh Web Portal--a popular community webpage for Bangladeshis. Contact: info@deshbideshweb.com. Disclaimer: The owner/editor is not responsible for any damage occurred by using this website; read more.... Disclaimer | Site info | Contact
Corona Virus Information :: জাপানে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য
>>>Go to Main Page of Desh-Bidesh | দেশ-বিদেশ ওয়েবের মূল পেজ
Link: NHK News | Japan Times |WHO | BBC News | CNN | NDTV | World-wide Corona Virus Report
চীনের করোনা ভাইরাস জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। একজন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে যদি করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে বিশ্বের জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ একদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। বিস্তারিতঃ Bloomberg.com. কাজেই যে কোন দেশে যে কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।
Note: We are trying to give you accurate information. However, there is no warranty that it is 100% accurate. Therefore, use the following information at your own risk. 

 করোনা ভাইরাস পরামর্শ কেন্দ্রে যোগাযোগ
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে যদি কারো সন্দেহ হয়, তাহলে সরাসরি হাসপাতালে না গিয়ে আগে Corona Virus Consultation Hotlineএ টেলিফোন করে পরামর্শ নিবেন।
 নিচের যে কোন একটি  উপসর্গ থাকলে কিংবা অবস্থা হলে পরামর্শ কেন্দ্রে যোগাযোগ করবেনঃ
১। চারদিন কিংবা তার বেশি সময় ধরে জ্বর, কাশি, গলাব্যথা কিংবা মাথাব্যথা (সর্দিজ্বর) এবং ৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের উপরে জ্বর আছে কিংবা জ্বর কমানোর ওষুধ না খেলে জ্বর কমে না। বিস্তারিত এখানে
২। প্রচন্ড শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি-ক্লান্তি ভাব, এবং শ্বাসকষ্ট আছে।
৩। বয়োবৃদ্ধরা যাদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি আছে কিংবা উপরের ১ কিংবা ২ নম্বরের উপসর্গ দুইদিনের বেশি আছে।
৪। গর্ভবতী মহিলারা।
পরামর্শ কেন্দ্রে পরামর্শের জন্য সিটি-> প্রিফেকচার -> স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়->JNTO এই ক্রমে হটলাইনে টেলিফোন করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবেন, মানে এক জায়গায় লাইন না পেলে অন্য জায়গায় চেষ্টা করবেন।  
Corona Virus Test Procedure

১। প্রতিদিন শরীরের তাপমাত্রা মাপবেন। যদি সর্দি-কাশি-জ্বরের লক্ষণ থাকে তাহলে অফিসে কিংবা স্কুল-কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া থেকে বিরত থেকে ঘরে থাকুন।  বিস্তারিত
>>> Consultation Centers (Japanese)
২। Avoid crowds and non-essential gatherings, health minister urges: Japan Today (2020/2/17)
৩। জাপানের NTT Group তাদের দুই লক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসা থেকে অফিসের কাজ (Telework/Telecommuting) করতে উৎসাহিত করেছে। অন্যান্য কোম্পানী যেমন Yahoo Japan Corp.  এবং GMO Internet Group একই পথ অবলম্বন করছে। বিস্তারিতঃ Japan Times (2020/2/17)
৪। জাপানের কিছু কোম্পানী সকালের ব্যস্ততার সময় সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ট্রেনে চড়ে অফিসে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
Corona Virus Consultation Hotline
Location English Support (Source) Japanese Hotline
JNTO 050-3816-2787 (English, Japanese, ...)
(24 hours, 365 days)
Ministry of Health, Labor and Welfare
স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়
0120-565-653 (9:00-21:00)
Tokyo 03-5285-8181 (9am-8pm) 03-5320-4509
(09:00-21:00)
Kanagawa 045-285-0536 (9:00-21:00)
Saitama 048-833-3296
(9am-4pm, weekdays)
048-840-2220
(8:30-17:15)
Chiba 043-223-2640 (09:00-17:00)
Hokkaido 011-200-9595 (9am-4pm, weekdays) Link 011-272-7119
(24 hours) Links
Osaka 06-6941-2297 (weekdays)
06-6773-6533 (weekdays?)
06-6944-8197 (9:00-18:00)
Okinawa 0570-050-235 098-866-2129
(24 hours)
Kyoto 075-343-9666
(weekdays)
075-414-4726
 (24 hours)
Wakayama 073-435-5240
(10am-5pm)
073-441-2170 (9:00-21:00)
Aichi 052-954-6272 (9:00-17:00)
Fukuoka 092-687-5357 (24hours) 092-711-4126 (9:00-17:30)
Ibaraki 029-301-3200 (9:00-17:00) (Japanese)
Tochigi 0289-62-6225 (8:30-17:15) (Japanese)
Gumma 027-224-8200 (8:30-17:15 ) (Japanese)
Miyagi 022-211-3883 (9:00-21:00)(Japanese)
Toyama 076-444-4513 (9:00-21:00) (Japanese)
Kumamoto 096-372-0705 (8:30-19:00) (Japanese)
Saga 0952-30-3622 (8:30-17:15) (Japanese)

পোলেন এলার্জি (Pollen Allergy)
জাপানে Cedar গাছের ফুলের রেণু থেকে সৃষ্ট পোলেন এলার্জি (জাপানী ভাষায় 'কাফুনশো' ) শুরু হয়ে গেছে। ওকিনাওয়া ও হোক্কাইডো এলাকা বাদে জাপানের বাকি এলাকায় প্রায় ৪৫% মানুষ ফেব্রুয়ারী-এপ্রিল মাসে Cedar এবং Cypress গাছের ফুলের রেণু থেকে সৃষ্ট পোলেন এলার্জিতে আক্রান্ত হয়। উপসর্গ হলো হাঁচি, সর্দি, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ চুলকানি। কারো কারো  প্রচন্ড কাশি হয়। বিদেশিরা সাধারণত জাপানে এসে দুই-তিন বছর পরে বুঝতে পারে।
আমেরিকাতে ইনফ্লুয়েঞ্জা
আমেরিকার CDCর হিসেব অনুযায়ী আমেরিকাতে নাকি ২০১৯/১০/১ থেকে ২০২০/২/১৫ পর্যন্ত ১৬,০০০-৪১,০০০ মানুষ ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
বিস্তারিতঃ CDC.gov
মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার
জাপানে অনেক দোকানে মুখের মাস্ক কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে না আর পাওয়া গেলেও আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।এ অবস্থায় সুপার মার্কেট কিংবা দোকানের টয়লেট থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চুরি ঠেকানোর অভিনব এক পদ্ধতি দেখলাম।
Handsoap
Hospitals with English Support
করোনা ভাইরাসের উপসর্গ
সাধারণ সর্দি-জ্বরের মতঃ জ্বর, গলা ব্যথা, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কাশি, মাথা ঘোরা, প্রচন্ড শারীরিক দুর্বলতা। শেষে শ্বাসকষ্ট, মানে নিউমোনিয়া। অনেক সময় রোগের উপসর্গ দেখা না গেলেও দেহে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যাচ্ছে। জাপানে এই রকম ১১৬ জন রোগী পাওয়া গেছে। তবে অধিকাংশের উপসর্গ হলো জ্বর, গলাব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা→ কাশি→ শ্বাসকষ্ট→ নিউমোনিয়া; কারো কারো এর সাথে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।
রোগীদের শারীরিক অবস্থা
১। ৩% এর অবস্থা সংকটাপন্ন (Critical condition)
২। ১৫% এর মারাত্মক অবনতি (Serious condition)
৩। ৮২% এর হালকা অসুস্থতা (Minor illness)
প্রতিষেধক (ওষুধ)
কোন কার্যকরী ওষুধ কিংবা টিকা এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। থাইল্যান্ডের ডাক্তাররা এইডস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ দিয়ে নাকি একজন রোগীকে সুস্থ করার দাবি করেছে। কেউ কেউ বলছে SARS কিংবা Ebola ভাইরাসের জন্য পরীক্ষাধীন ওষুধ কাজ করতে পারে; কিন্তু এর কোন প্রমাণ এখনো পর্যন্ত দেখাতে পারেনি।
হাসপাতালে থাকার সময়
শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে। যদিও সঠিক তথ্য জানিনা তবুও আমার মনে হয় দুই সপ্তাহ থেকে এক মাস।
মৃত্যুহার
চীনে এখনো পর্যন্ত মৃত্যুহার ২% এর মত। এখানে উল্লেখ্য যে, SARS ও MARS ভাইরাসে মৃত্যুহার যথাক্রম প্রায় ১০% ও ৩৭% ( তথ্যসূত্র)। নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুহার ৭৫% (তথ্যসূত্র)
কারা বেশি ঝুঁকিতে
বয়োবৃদ্ধরা এবং যাদের শারীরিক সমস্যা আছে। চীনে যারা মারা গেছে তার ৮০% এর বয়স ৬০ বছর বা ততোধিক আর ৭৫% ব্যক্তির আগের থেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস ছিল। তথ্যসূত্র
জীবনের বাস্তবতা
১। হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষায় কোন রোগীর দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেলে সরকার নির্ধারিত হাসপাতালে পাঠিয়ে দিবে। সেখানে খুব সম্ভবতঃ ডাক্তার- নার্স ছাড়া অন্য কাউকে এমনকি প্রিয়জনকেও যেতে দিবে না। 
২। ছোট বাচ্চারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী হবে তা এখনো জানিনা।
.৩। যদি কোন প্রবাসী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তাহলে সেই ব্যক্তির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কি বিশেষ ব্যবস্থায় সম্পন্ন হবে? এ প্রশ্নের উত্তর জানিনা। নিপাহ ভাইরাসের মত করোনা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাধি। 
জাপানে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর/মৃতের সংখ্যা
জাপানের অভ্যন্তরে (Within Japan) জাহাজে
(Diamond Princess)
সর্বমোট
(Total)
মৃত্যু
(Deaths)
147 (+12 today) 691 (+57 today)  838 (+69) 4 (+1)
শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক
(Serious Condition)
রোগের উপসর্গ নেই কিন্তু করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে (Asymptomatic Carrier)
about 23 about 125 
২০২০/২/২৩ রাত ১০:৩০ঃ আজ সেই Diamond Princess জাহাজের ৮০বছর বয়সী এক যাত্রী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এছাড়া সেই জাহাজের আরো ৫৭জন যাত্রী নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।এছাড়া আজ জাপানের হোক্কাইডো এলাকায় ৯জনসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ১২জন আক্রান্ত হয়েছে।
২০২০/২/২২ রাত ৯:৩০ঃ আজ হোক্কাইডোতে নয়জন, চিবাতে তিনজন, কানাগাওয়া প্রিফেকচারে চারজন, কুমামোতোতে  দুইজন, ওয়াকাইয়ামাতে একজন, টোকিওতে একজনসহ মোট বিশজন  নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।  
২০২০/২/২১ রাত ১১:৫৫ঃ আজ হোক্কাইডোতে দুই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রসহ তিনজন, সাইতামাতে প্রিস্কুল ছাত্র, টোকিওতে তিনজন, নাগোইয়াতে দুইজন, ইশিকাওয়াতে একজন, চিবাতে একজন, কুমামোতোতে একজনসহ মোট ১৪জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।
২০২০/২/২০ রাত ১১টা ৫৫ মিনিটঃ আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৭ ও ৮৪ বছর বয়সী এক পুরুষ ও এক মহিলা মারা গেছে। দু'জনই টোকিওর পাশ্ববর্তী কানাগাওয়া প্রিফেকচারের ইয়োকোহামা সিটির বন্দরে নোঙর করা ক্রুজ শিপ Diamond Princessএর যাত্রী ছিল। এ নিয়ে জাপানে মোট তিনজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আজ জাপানের নতুন করে আরো ১১ জন আক্রান্ত হয়েছে। হোক্কাইডোতে ১ জন, নাগোইয়াতে ২ জন, ফুকুওকাতে ২জন, ওকিনাওয়াতে ১জন, কানাগাওয়া প্রিফেকচারের সাগামিহারা সিটির সেই হাসপাতালে ১ জন,ইয়োকোহামাতে ১জন, চিবাতে ১জন, Diamond Princess জাহাজে কর্মরত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২জন। আবার Diamond Princess জাহাজে নতুন করে আরো ১৩জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
২০২০/২/১৯ রাত ১০টাঃ ১। কানাগাওয়া প্রিফেকচারের সাগামিহারা সিটির এক হাসপাতালে নতুন করে আরো দুই জন (৭০ ও ৮০ বছর বয়সী) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এখানে উল্লেখ্য যে, এই হাসপাতালের  রোগী ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। ঐ বৃদ্ধাকে সেবাদানকারী নার্সও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
২। এদিকে হোক্কাইডোর সাপ্পোরো সিটিতে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিও নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত; অন্য জায়গায় ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এই নিয়ে হোক্কাইডোতে মোট চারজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
৩। ওকিনাওয়াতে ৬০ বছর বয়সী এক ট্যাক্সি ড্রাইভার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
৪। চীনের ঊহান (বুকান) থেকে পঞ্চম ফ্লাইটে ফিরে আসা একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
৫। নাগোইয়া সিটিতে পঞ্চাশোর্ধ এক মহিলা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
৬। টোকিওতে আরো তিনজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
৭। Diamond Princess জাহাজ থেকে আরো ৭৯ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে।
২০২০/২/১৮ রাত ১০:৫০: Diamond Princess জাহাজ থেকে আরো ৮৮জনের দেহে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে। এদিকে ওয়াকাইয়ামা প্রিফেকচারে তিনজনের, টোকিওতে তিনজনের, আইচি প্রিফেকচারে একজনের ও কানাগাওয়া প্রিফেকচারের ইয়োকোহামা সিটিতে একজনের দেহে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে। জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ২৩ জনের শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক। চীনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫১ বছর বয়সী এক হাসপাতালের পরিচালক মারা গেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাসে মৃত্যুহার প্রায় ২%; এখানে উল্লেখ্য যে, SARS, MERS ও নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুহার যথাক্রমে প্রায় ১০%, ৩৭% ও ৭৫%।
২০২০/২/১৭ রাত ১১টাঃ আজ Diamond Princess জাহাজের নতুন করে আরো ৯৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত সেই জাহাজের মোট ৪৫৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।এদিকে কানাগাওয়া, আইচি ও ওয়াকাইয়ামা প্রিফেকচারে আরো ৭ জন (?) নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। 
২০২০/২/১৬ রাত ১০টাঃ নতুন করে টোকিওতে পাঁচজন, আইচি প্রিফেকচারে একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। আজ এ পর্যন্ত জাপানের অভ্যন্তরে ৬জন আর জাহাজে ৭০জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
২০২০/২/১৬ দুপুর ১১:৩০: Diamond Princess জাহাজের নতুন করে আরো ৭০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এ পর্যন্ত সেই জাহাজের মোট ৩৫৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এখানে উল্লেখ্য যে, এই ক্রুজ জাহাজে নাবিক ও যাত্রী মিলিয়ে প্রায় ৩,৭০০ জন ছিল।
২০২০/২/১৫ রাত ১১টা: টোকিও এলাকায় নতুন করে আরো আটজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। আবার ওয়াকাইয়ামা প্রিফেকচারে নতুন করে আরো তিনজন আক্রান্ত; এ নিয়ে ঐ প্রিফেকচারে মোট পাঁচজন আক্রান্ত। নাগোইয়াতে একজন আক্রান্ত। Diamond Princess জাহাজের নতুন করে আরো ৬৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। সেই জাহাজের মোট ২৮৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। কানাগাওয়া প্রিফেকচারে ঐ জাহাজ থেকে এ্যাম্বুলেন্সে (?) করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী বহনকারী এক firefighterও নাকি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বিস্তারিত: Japan Times. জাপানের অভ্যন্তরে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাঃ ৫৩ জন।
২০২০/২/১৪: আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় ৮জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। হোক্কাইডো, টোকিও, কানাগাওয়া, আইচি, ওয়াকাইয়ামা ও ওকিনাওয়া এলাকায় ৭জন আক্রান্ত হয়েছে। জাপানের অভ্যন্তরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা: ৪১; আর ইয়োকোহামাতে নোঙর করে থাকা Diamond Princess জাহাজ থেকে ২১৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
২০২০/২/১৩: কানাগাওয়া প্রিফেকচারে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। বিদেশ ভ্রমণের কোন রেকর্ড নেই। জাপানে প্রথম মৃত্যু। চিবাতে ২০-২৯ এর বছরের মধ্যে বয়সী এক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।

Realtime Status of Japan
Covid19Japan.com
করোনা ভাইরাস পরামর্শ কেন্দ্র
যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহ থাকে তাহলে আপনার নিকটস্থ করোনা ভাইরাস পরামর্শ কেন্দ্রে ফোন করে পরামর্শ করবেন। এই কেন্দ্র থেকে আপনার নিকটস্থ মেডিকেল ইন্সটিউটের তথ্য জানাবে। সারা জাপানে ৫৩৬ টি পরামর্শ কেন্দ্র চালু করেছে। পরামর্শ করবেন (বিস্তারিত)ঃ
১। যদি ৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের উপরে চারদিন ধরে জ্বর থাকলে , জ্বর কমানোর ওষুধ না খেলে জ্বর কমে না, প্রচন্ড শারীরিক দুর্বলতা এবং শ্বাসকষ্ট আছে।
২। বয়োবৃদ্ধরা যাদের শারীরিক সমস্যা যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি আছে।
৩। গর্ভবতী মহিলারা
>>> Consultation Centers (Japanese)
Essential Book
করোনা ভাইরাসের জন্য বিশেষ হাসপাতাল
জাপানে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য জাপান সরকার প্রায় ৪০০ মেডিকেল ইনস্টিটিউট নির্ধারিত করেছে। যদি ডাক্তারী পরীক্ষায় পজিটিভ আসে তাহলে খুব সম্ভবতঃ ঐ ৪০০ মেডিকেল ইনস্টিটিউটের যে কোন একটিতে পাঠিয়ে দিবে। তথ্যসূত্র
রোগ প্রতিরোধে আপনার করণীয়
১.মাঝে মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার (এ্যালকোহল/সাবান) দিয়ে হাত ধুতে হবে।
২. হাঁচি-কাশি দেবার সময় টিস্যু ব্যবহার করে ফেলে দিতে হবে এবং হাত ধুতে হবে।
৩. জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন এবং মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।
৪. বাইরে থেকে এসে হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
৫. জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখাবেন এবং বিদেশ ভ্রমণের তথ্যও জানাবেন।
৬. কোথাও বন্য প্রাণীর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন।
৭. কাঁচা মাছ-মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া সংক্রান্ত
কোন গুজবে কান দিবেন না; নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য জানুন। এ মুহুর্তে দরকার সঠিক তথ্য আর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সঠিক চিকিৎসা। জাপানের চিকিৎসা সেবা বিশ্বের অন্যতম সেরা। কাজেই কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বাংলাদেশে না গিয়ে এই জাপানে চিকিৎসা সেবা নেওয়া উচিত। যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ বাংলাদেশে যায় তাহলে সেই ব্যক্তি দেশে থাকা তার প্রিয়জনসহ যে পথে দেশে যাবে সেই পথে সেই ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা আসবে তাদেরও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। কাজেই দায়িত্বশীল আচরণ করুন।



Copyright@ Desh-Bidesh Web Portal for Bangladeshis. All rights reserved.
Location: Tokyo, Japan. For inquiry, contact info@deshbideshweb.com | deshbideshweb@gmail.com
Last updated: February 22, 2020 9:40 PM (Tokyo Time).
Before you use the website, you must read Disclaimer. More: Disclaimer | Site info | Contact