DESH-BIDESH WEB PORTAL
Welcome to Desh-Bidesh Web Portal--a popular community webpage for Bangladeshis. Contact: info@deshbideshweb.com. Disclaimer: The owner/editor is not responsible for any damage occurred by using this website; read more.... Disclaimer | Site info | Contact
Corona Virus Information :: জাপানে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য
>>>Go to Main Page of Desh-Bidesh | দেশ-বিদেশ ওয়েবের মূল পেজ
Link: Prothom-AloNHK News | Japan Times |WHO | BBC News | CNN | NDTV | World-wide Corona Virus Report
চীনের করোনা ভাইরাস জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। একজন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে যদি করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে বিশ্বের জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ একদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। বিস্তারিতঃ Bloomberg.com. কাজেই যে কোন দেশে যে কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।
Note: We are trying to give you accurate information. However, there is no warranty that it is 100% accurate. Therefore, use the following information at your own risk. 
১। জাপানে করোনা ভাইরাসের টেস্ট করাতে রোগীকে কোন খরচ দিতে হবে না। ডাক্তার যদি মনে করেন যে রোগীর করোনা ভাইরাসের টেস্ট করা দরকার তাহলেই রোগী করোনা ভাইরাসের টেস্ট করাতে পারবে। এক্ষেত্রে National Insurance কাজ করবে বলে রোগীর খরচ লাগবে না। বিস্তারিত
২। জাপান সরকার অনলাইনে কিংবা Auction এ মুখের মাস্কের পুনঃবিক্রয় নিষিদ্ধ করেছেন। কিছু অসাধু ব্যক্তি মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অনলাইনে চড়া দামে মাস্ক বিক্রি করছিলেন। জাপান সরকারের ভালো পদক্ষেপ!
Maintain Social Distancing! Stay at Home! Save Lives!
Hospital Beds হাসপাতাল বেডের অবস্থা
COVID-19 Japan
জাপানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরিসংখ্যান
Corona Virus Infections in Japan
(As of 2020/4/4 23:10 JST) Source: MHLW | NHK
মোট (আক্রান্ত+মৃত)  Total Infections
(Patients of Diamond Princess: 712)
4,150(+308)
সুস্থ হয়ে উঠেছে Recovered
1,194 (+61)
এখনো হাসপাতালে ভর্তি
Still Hospitalized (as of 4/3 18:00)
2,333(+251)
অবস্থা আশংকাজনক
Serious Conditions
78(+5)
মৃত Deaths
94 (+6)
Total corona virus tests
(Feb 18-April 2, 2020)
68,987
(Source)
রোগের উপসর্গ নেই কিন্তু করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে
Asymptomatic Carriers
642 (+24)

নগদ তিন লক্ষ ইয়েন সাহায্য! Cash Support!
জাপানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে আয় কমে যাওয়ায় যে সকল পরিবার জীবনযাত্রা নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে সে সকল পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে জাপান সরকার নগদ তিন লক্ষ ইয়েন সাহায্য দিবে। বিস্তারিতঃ Japan Times (2020/4/3)
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য অন্য দেশকে জাপান বিনামূল্যে Avigan ওষুধ দিবে 
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে জাপান বিনামূল্যে করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক Avigan দিবে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০টি দেশ Avigan এর জন্য জাপানের কাছে অনুরোধ করেছে। বিস্তারিতঃ NHK News (2020/4/3)
করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে
জাপানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে খুব সম্ভবতঃ অল্প উপসর্গের রোগীদের হোটেলে কিংবা বাসায় রেখে চিকিৎসা সেবা দিবে। আর কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার যন্ত্র ভেন্টিলেটরের যদি স্বল্পতা হয় তাহলে খুব সম্ভবতঃ শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন রোগীদের পরিবারের সাথে কথা বলে মেডিকেল বোর্ড ভেন্টিলেটর দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। বিশেষজ্ঞরা গাইড লাইন তৈরী করছে। 
জাপান সরকার মাস্ক দিবে! 
জাপান সরকার জাপানে বসবাসরত প্রতিটি পরিবারকে পরিষ্কার করে বার বার ব্যবহার করা যায় এমন কাপড়ের দুইপিস মাস্ক দিবে। বিস্তারিত
ছোট শিশু ও কিশোর-কিশোরীরাও আক্রান্ত হচ্ছে
জাপানে এই প্রথম এক দুধের বাচ্চা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত; শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। বিস্তারিত। এদিকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কিশোর- কিশোরীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার খবরও আসছে।  
50+ Doctors in Italy Died from CoronaVirus
ইতালিতে ৫০জনের অধিক ডাক্তার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। বিস্তারিত
করোনা ভাইরাসের হটলাইন Consultation Hotline
জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের উপসর্গ না থাকলে কিংবা আক্রান্ত কোন ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শে না আসলে করোনা ভাইরাসের টেস্ট করবে না। করোনা ভাইরাসের টেস্টের জন্য হট লাইনে টেলিফোন করে পরামর্শ করবেন। পরামর্শ কেন্দ্রে পরামর্শের জন্য যারা জাপানী ভাষা জানেন তারা ওয়ার্ড অফিস->সিটি অফিস -> প্রিফেকচার -> স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই ক্রমে হটলাইনে টেলিফোন করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবেন, মানে এক জায়গায় লাইন না পেলে অন্য জায়গায় চেষ্টা করবেন।  যারা জাপানী ভাষা জানেন না, তারাJNTOর হটলাইনে ফোন করে ইংরেজিতে পরামর্শ করবেন। হটলাইনের নম্বর নিচে দেওয়া আছে। 
বৃহত্তর টোকিও এলাকায় ঘরে থাকার আহবান
টোকিও ও এর আশেপাশের প্রিফেকচারের লোকজনকে জরুরী ও প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার আহবান জানানো হয়েছে। আর টোকিওর গভর্নর রাতের বেলায় কারাওকে ক্লাবে, নাইট-ক্লাবে, বারে না যাওয়ার জন্য টোকিওবাসীদের কে আহবান জানিয়েছে। 
 বিস্তারিতঃ  NHK News
Corona Virus Test
পৃথিবীর কিছু কিছু দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রচুর বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে চিকিৎসা সামগ্রী! অনেক এলাকায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা রোগী কিংবা হাসপাতালে ভর্তি আছে এমন রোগীর করোনা ভাইরাসের টেস্ট করার নির্দেশ দিয়েছে।  ব্যাপকহারে করোনা ভাইরাসের টেস্ট করার অবস্থান থেকে সরে আসছে। বিস্তারিতঃ BBC Bangla | CNN
Corona Virus Infections in Japan
জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম কেন? অনেকের প্রশ্ন জাপানে চীনের পর পর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেলেও জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ও মৃতের সংখ্যা এত কম কেন।  ওয়াশিংটন পোস্টও লিখেছে যে জাপান ব্যাপকহারে করোনা ভাইরাসের টেস্ট করেনি, তাই জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ও মৃতের সংখ্যা অনেক কম! Read More...
চাকরির অবস্থা Jobs Situation
১। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর হিসেব অনুযায়ী করোনা ভাইরাস মহামারীর প্রভাবে সারা বিশ্বে প্রায় ২.৫ কোটি মানুষ চাকরি হারানোর সম্ভাবনা আছে। বিস্তারিতঃ ILO.org
২। করোণা ভাইরাস মহামারীর কারণে আমেরিকাতে নাকি প্রায় ২৫% লোক চাকরি হারিয়েছে কিংবা চাকরিতে ছুটিতে আছে। বিস্তারিতঃ  Japan Times (2020/3/28)
৩। জাপান পোস্ট নাকি দশ হাজার লোক ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে। Nikkei Asia Review (2020/3/23)

Details of Patients and Test Cases
Prefecture Patients More Information
Tokyo 891 (+118) Tokyo Details
Osaka346Osaka Details
Kanagawa238 (+21)Kanagawa Details
Chiba235 (+25)Chiba Details
Aichi 211 (+9) Aichi Details
Hokkaido193 (+3)Hokkaido Details
Hyogo 190 (+15) Hyogo Details
Saitama 160 (+25) Saitama Details
Fukuoka146 (+27)Fukuoka Details
Kyoto 109 (+3) Kyoto Details
Ibaraki 59 (+5)Ibaraki Details
Fukui 46 (+4) Fukui Details
Other Prefectures (cio.go.jp)
জাপানের অবস্থা Situation in Japan
Infections in Japan
Number of PCR
Source: MHLW, Japan
১। খুব সম্ভবতঃ বর্তমানে জাপানে দিনে সর্বোচ্চ ৭,০০০জনের টেস্ট করার ব্যবস্থা থাকবে।
২। জাপান সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী কোন এলাকায় ব্যাপকহারে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে (১) সেই এলাকার লোকজনকে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করবে; (২) সাধারণ সর্দি-কাশি হলে হাসপাতালে না গিয়ে বাসায় থাকতে  বলবে; (৩)  হাসপাতালে যে সকল রোগীর মারাত্মক নিউমোনিয়ার উপসর্গ আছে তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা দিতে বলবে। বিস্তারিতঃ Japan Times
৩। আরো বাতাস চলাচল করেনা এমন পরিবেশে অনেক মানুষ জড়ো হলে করোনা ভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে। তাই জাপানের বিশেষজ্ঞরা কারাওকে, স্পোর্টস ক্লাব ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে উপদেশ দিয়েছে।
ইতালির অবস্থা Italy Situation
ইতালির তুরিন এলাকার সংকট ব্যবস্থাপনা ইউনিটের প্রস্তাব অনুযায়ী যদি ICUতে রাখা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায় তাহলে ৮০ বছর বা ততোর্দ্ধ বয়সী বয়োবৃদ্ধ কিংবা শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ব্যক্তিদেরকে ICUতে রেখে চিকিৎসা করা হবে না। বিস্তারিতঃ Telegraph (2020/3/14)
এখানে উল্লেখ্য যে করোনা ভাইরাসে ইতালিতে মৃত্যুহার প্রায় ৭.৩%।
USA CDC Projections
আমেরিকার CDC বিভিন্ন গানিতিক মডেলের উপর ভিত্তি করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু সংখ্যা নিয়ে একটা হিসাব দিয়েছে। তারা বলছে ১৬ কোটি থেকে ২১.৪ কোটি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে আর ২লক্ষ থেকে ১৭ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারে। সবাই ১৯১৮ সালের Spanish Fluর উদাহরণ টানছে; সেই সময় আমেরিকাতে ৬,৭৫,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
CDCর হিসাব অনুযায়ী আমেরিকাতে ২৪ লক্ষ থেকে ২.১ কোটি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা দিতে হতে পারে যেটা প্রায় অসম্ভব কারণ আমেরিকার হাসপাতালগুলোতে এখন নাকি প্রায় ৯, ২৫,০০০ বেড আছে। Details: NYT (2020/3/13)
বৃটিশ বাংলাদেশির মৃত্যু! 
যুক্তরাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক বৃটিশ বাংলাদেশির মৃত্য হয়েছে।
বিস্তারিতঃ BBC Bangla
প্রবাস জীবনের বাস্তবতা
১। করোনা ভাইরাসে আক্তান্ত রোগীকে আলাদা করে রাখবে। রোগীর সংগে সরাসরি যোগাযোগ করার ব্যবস্থা থাকবে না।
২। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত রোগীর শারীরিক অবস্থা পরিবারকে জানাবে।
৩। পরিবারকে বাসায় সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখবে এবং  নিয়মিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিংবা স্থানীয় সরকারকে শারীরিক অবস্থা জানাতে হবে।
৪। রোগী মারা গেলে খুব সম্ভবতঃ বিশেষ ব্যবস্থায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
বাংলাদেশের হটলাইন/সর্বশেষ পরিস্থিতি
IEDCR এর ফেসবুক পেজ দেখুন
Avigan Tablet:: Candidate Medicine
জাপানের ফুজিফিল্ম তোইয়ামা কেমিক্যাল কোম্পানি (Fujifilm Toyoma Chemical Co. Ltd) কর্তৃক উদ্ভাবিত Avigan (Favipiravir) tablet করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকরী বলে চীনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে জানা গেছে। এরপর সারা বিশ্বে এ ওষুধ আশার আলো দেখিয়েছে। এরপর বিভিন্ন ব্যক্তি কিংবা সংস্থা এ ওষুধের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছে। এই কোম্পানির অফিসিয়াল বক্তব্য অনুযায়ী জাপান সরকার ইনফ্লুয়েঞ্জার বিশেষ ওষুধ হিসেবে এই ওষুধের বেশ কিছু পরিমাণ মজুদ করে রেখেছে কিন্তু জাপান কিংবা বিদেশের সাধারণ মার্কেটে, হাসপাতালে, ওষুধের দোকানে এ ওষুধ পাওয়া যায় না।Details: Fujifilm Toyama Chemical Co. Press note (2020/3/27)
এদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনযো আবে গত শনিবার (৩/২৭) ঘোষণা করেছেন যে জাপানে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে Avigan tablet এর দ্রুত অনুমোদন দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
Details: Nikkei Asia Review | NHK
অন্যদিকে চীনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে Avigan tablet এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হবার তিনদিন পরে ইন্দোনেশিয়া এই ওষুধের কয়েক মিলিয়ন ডোজ আমদানি করবে বলে ঘোষণা করেছিল। ইতালি কর্তৃপক্ষ মার্চ ২২, ২০২০ তারিখে Favipiravir (Avigan tablet)এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে। থাইল্যান্ডের এক হাসপাতাল এই ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে। Details: Fortune.com
করোনা ভাইরাসের ওষুধ Medicine
ম্যালেরিয়ার ওষুধ Hydroxychloroquine এবং Chloroquine নাকি করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য দুইটা প্রতিষেধক। বিস্তারিতঃ CNN.com (2020/3/24)
Trial Medicine for Corona Virus
জাপানের Teijin Pharmaর Alvesco (ciclesonide) inhaler জাপানের কিছু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর উপসর্গ প্রশমনে কার্যকরী বলে জানিয়েছে জাপানের Japanese Association for Infectious Diseases. এটা মূলত হাঁপানি (Asthma)র ওষুধ। এদিকে জাপান সরকার নাকি ২০,০০০ Alvesco inhalerএর order দিয়ে রেখেছে। বিস্তারিত
এদিকে জাপানের এক ডাক্তার জানাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অল্প  উপসর্গের কিছু রোগীর শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করেই সংকটাপন্ন হয়ে যাচ্ছে।
Clinical Trial of Avigan to Start in Japan
জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে Avigan Tablet দিয়ে করোনা ভাইরাসের কার্যকারিতা পরীক্ষার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। কিন্তু Avigan Tablet কোন ড্রাগ স্টোরে কিংবা ওষুধের ফার্মেসীতে কিনতে পাওয়া যাবে না; খুব সম্ভবত শুধুমাত্র ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করলে ফার্মেসী থেকে কেনা যাবে।
করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক
Medicine for Corona Virus

জাপানের তোইয়ামা কেমিক্যাল কোম্পানি কর্তৃক আবিষ্কৃত ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ Avigan tablet (Favipiravir) করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে কার্যকরী বলে চীন সরকার জানিয়েছে। চীনে এই ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৯১% ক্ষেত্রে এই ওষুধের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। কাজেই চীন ও জাপানে এ ওষুধ করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হবার সম্ভাবনা আছে।
বিস্তারিতঃ NHK News (2020/3/17)

করোনা ভাইরাসের উপসর্গ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের ৫৫,৯২৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের উপসর্গ হলো সাধারণ সর্দিজ্বরের উপসর্গের মত। জাপানে যাদের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন তাদের অনেকেরই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হচ্ছে। WHO Report
১. জ্বর: ৮৭.৯% রোগীর এই উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।
২. শুকনো কাশি: ৬৭.৭%
৩. শারীরিক দুর্বলতা (ক্লান্তি ক্লান্তি ভাব): ৩৮.১%
৪. কাশির সাথে কফ (শ্লেষ্মা) বের হওয়া: ৩৩.৪%
৫. শ্বাসকষ্ট: ১৮.৬%
৬. মাংসপেশীতে/জয়েন্টে ব্যথা: ১৪.৮%
৭. গলাব্যথা: ১৩.৯%
৮. মাথাব্যথা: ১৩.৬%
৯. শীত শীত ভাব: ১১.৪%
১০. বমি বমি ভাব: ৫.০%
১১. নাক বন্ধ: ৪.৮%
১২. ডায়রিয়া: ৩.৭%
১৩. রক্ত মিশ্রিত কফ: ০.৯%
১৪. চোখের সংক্রমণ: ০.৮%
১৫. মেনিনজাইটিস: জাপানে এক রোগীর এই উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।
জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অনেক রোগীর কোন উপসর্গই দেখা দেয়নি।
মৃত্যুহার (বয়স অনুযায়ী)
বয়স ৮০ বছরের বেশি: ১৪.৮%
বয়স ৭০-৭৯ বছর: ৮%
বয়স ৬০-৬৯ বছর: ৩.৬%
বয়স ৫০-৫৯ বছর: ১.৩%
বয়স ৪০-৪৯ বছর: ০.৪%
বয়স ৩০-৩৯ বছর: ০.২%
বয়স ২০-২৯ বছর: ০.২%
বয়স ১০-১৯ বছর: ০.২%


 করোনা ভাইরাস পরামর্শ কেন্দ্রে যোগাযোগ
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে যদি কারো সন্দেহ হয়, তাহলে সরাসরি হাসপাতালে না গিয়ে আগে Corona Virus Consultation Hotlineএ টেলিফোন করে পরামর্শ নিবেন।
 নিচের যে কোন একটি  উপসর্গ থাকলে কিংবা অবস্থা হলে পরামর্শ কেন্দ্রে যোগাযোগ করবেনঃ
১। চারদিন কিংবা তার বেশি সময় ধরে জ্বর, কাশি, গলাব্যথা কিংবা মাথাব্যথা (সর্দিজ্বর) এবং ৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের উপরে জ্বর আছে কিংবা জ্বর কমানোর ওষুধ না খেলে জ্বর কমে না। বিস্তারিত এখানে
২। প্রচন্ড শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি-ক্লান্তি ভাব, এবং শ্বাসকষ্ট আছে।
৩। বয়োবৃদ্ধরা যাদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি আছে কিংবা উপরের ১ কিংবা ২ নম্বরের উপসর্গ দুইদিনের বেশি আছে।
৪। গর্ভবতী মহিলারা।
পরামর্শ কেন্দ্রে পরামর্শের জন্য ওয়ার্ড অফিস->সিটি অফিস -> প্রিফেকচার -> স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়->JNTO এই ক্রমে হটলাইনে টেলিফোন করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবেন, মানে এক জায়গায় লাইন না পেলে অন্য জায়গায় চেষ্টা করবেন।  
Corona Virus Test
Procedure

১। প্রতিদিন শরীরের তাপমাত্রা মাপবেন। যদি সর্দি-কাশি-জ্বরের লক্ষণ থাকে তাহলে অফিসে কিংবা স্কুল-কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া থেকে বিরত থেকে ঘরে থাকুন।  বিস্তারিত
>>> Consultation Centers (Japanese)
২। Avoid crowds and non-essential gatherings, health minister urges: Japan Today (2020/2/17)
৩। জাপানের NTT Group তাদের দুই লক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসা থেকে অফিসের কাজ (Telework/Telecommuting) করতে উৎসাহিত করেছে। অন্যান্য কোম্পানী যেমন Yahoo Japan Corp.  এবং GMO Internet Group একই পথ অবলম্বন করছে। বিস্তারিতঃ Japan Times (2020/2/17)
৪। জাপানের কিছু কোম্পানী সকালের ব্যস্ততার সময় সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ট্রেনে চড়ে অফিসে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
Corona Virus Consultation Hotline
Location English Support (Source) Japanese Hotline
JNTO 050-3816-2787 (English, Japanese, ...)
(24 hours, 365 days)
Ministry of Health, Labor and Welfare
স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়
0120-565-653 (9:00-21:00)
Tokyo 03-5285-8181 (9am-8pm) 03-5320-4509
(09:00-21:00)
Kanagawa
045-285-0536 (9:00-21:00)
Saitama 048-833-3296
(9am-4pm, weekdays)
048-840-2220
(8:30-17:15)
Chiba
043-223-2640 (09:00-17:00)
Hokkaido 011-200-9595 (9am-4pm, weekdays) Link 011-272-7119
(24 hours) Links
Osaka 06-6941-2297 (weekdays)
06-6773-6533 (weekdays?)
06-6944-8197 (9:00-18:00)
Okinawa 0570-050-235 098-866-2129
(24 hours)
Kyoto 075-343-9666
(weekdays)
075-414-4726
 (24 hours)
Wakayama 073-435-5240
(10am-5pm)
073-441-2170 (9:00-21:00)
Aichi
052-954-6272 (9:00-17:00)
Fukuoka 092-687-5357 (24hours) 092-711-4126 (9:00-17:30)
Ibaraki 029-301-3200 (9:00-17:00) (Japanese)
Tochigi 0289-62-6225 (8:30-17:15) (Japanese)
Gumma 027-224-8200 (8:30-17:15 ) (Japanese)
Miyagi 022-211-3883 (9:00-21:00)(Japanese)
Toyama 076-444-4513 (9:00-21:00) (Japanese)
Kumamoto 096-372-0705 (8:30-19:00) (Japanese)
Saga 0952-30-3622 (8:30-17:15) (Japanese)

পোলেন এলার্জি (Pollen Allergy)
জাপানে Cedar গাছের ফুলের রেণু থেকে সৃষ্ট পোলেন এলার্জি (জাপানী ভাষায় 'কাফুনশো' ) শুরু হয়ে গেছে। ওকিনাওয়া ও হোক্কাইডো এলাকা বাদে জাপানের বাকি এলাকায় প্রায় ৪৫% মানুষ ফেব্রুয়ারী-এপ্রিল মাসে Cedar এবং Cypress গাছের ফুলের রেণু থেকে সৃষ্ট পোলেন এলার্জিতে আক্রান্ত হয়। উপসর্গ হলো হাঁচি, সর্দি, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ চুলকানি। কারো কারো  প্রচন্ড কাশি হয়। বিদেশিরা সাধারণত জাপানে এসে দুই-তিন বছর পরে বুঝতে পারে।
আমেরিকাতে ইনফ্লুয়েঞ্জা
আমেরিকার CDCর হিসেব অনুযায়ী আমেরিকাতে নাকি ২০১৯/১০/১ থেকে ২০২০/২/১৫ পর্যন্ত ১৬,০০০-৪১,০০০ মানুষ ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
বিস্তারিতঃ CDC.gov
মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার
জাপানে অনেক দোকানে মুখের মাস্ক কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে না আর পাওয়া গেলেও আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।এ অবস্থায় সুপার মার্কেট কিংবা দোকানের টয়লেট থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চুরি ঠেকানোর অভিনব এক পদ্ধতি দেখলাম।
Handsoap
Hospitals with English Support
রোগীদের শারীরিক অবস্থা
১। ৩% এর অবস্থা সংকটাপন্ন (Critical condition)
২। ১৫% এর মারাত্মক অবনতি (Serious condition)
৩। ৮২% এর হালকা অসুস্থতা (Minor illness)
প্রতিষেধক (ওষুধ)
কোন কার্যকরী ওষুধ কিংবা টিকা এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। থাইল্যান্ডের ডাক্তাররা এইডস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ দিয়ে নাকি একজন রোগীকে সুস্থ করার দাবি করেছে। কেউ কেউ বলছে SARS কিংবা Ebola ভাইরাসের জন্য পরীক্ষাধীন ওষুধ কাজ করতে পারে; কিন্তু এর কোন প্রমাণ এখনো পর্যন্ত দেখাতে পারেনি।
হাসপাতালে থাকার সময়
শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে। যদিও সঠিক তথ্য জানিনা তবুও আমার মনে হয় দুই সপ্তাহ থেকে এক মাস।
মৃত্যুহার
চীনে এখনো পর্যন্ত মৃত্যুহার ৩.৩৬% এর মত। এখানে উল্লেখ্য যে, SARS ও MARS ভাইরাসে মৃত্যুহার যথাক্রম প্রায় ১০% ও ৩৭% ( তথ্যসূত্র)। নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুহার ৭৫% (তথ্যসূত্র)
কারা বেশি ঝুঁকিতে
বয়োবৃদ্ধরা এবং যাদের শারীরিক সমস্যা আছে। চীনে যারা মারা গেছে তার ৮০% এর বয়স ৬০ বছর বা ততোধিক আর ৭৫% ব্যক্তির আগের থেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস ছিল। তথ্যসূত্র
জীবনের বাস্তবতা
১। হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষায় কোন রোগীর দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেলে সরকার নির্ধারিত হাসপাতালে পাঠিয়ে দিবে। সেখানে খুব সম্ভবতঃ ডাক্তার- নার্স ছাড়া অন্য কাউকে এমনকি প্রিয়জনকেও যেতে দিবে না। 
২। ছোট বাচ্চারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী হবে তা এখনো জানিনা।
.৩। যদি কোন প্রবাসী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তাহলে সেই ব্যক্তির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কি বিশেষ ব্যবস্থায় সম্পন্ন হবে? এ প্রশ্নের উত্তর জানিনা। নিপাহ ভাইরাসের মত করোনা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাধি। 
জাপানে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর/মৃতের সংখ্যা
Update: 2020/4/4 23:10 (JST)
জাপানের অভ্যন্তরে
জাহাজে
সর্বমোট Total
(আক্রান্ত+মৃত)
মৃত্যু
Deaths
3,438 (+308) 712 (+0) 4,150 (+308) 94 (+6)  
শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক

রোগের উপসর্গ নেই কিন্তু করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে (Asymptomatic Carrier) সুস্থ হয়েছেন (Recovered)
about 78 about 642 1,194

২০২০/৩/১৫ রাত ১১:২০: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন আজ মারা গেছে।আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩১ জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ১৪৮জন, আইচিতে ১২১জন,ওসাকাতে ১০৬ জন, টোকিওতে ৯০জন, হিয়োগোতে ৭৮জন,কানাগাওয়াতে ৫৫জন, চিবাতে ৩১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
২০২০/৩/১৩ রাত ১১:০৫: আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩৫ জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ১৩৭জন, আইচিতে ১১৪জন,ওসাকাতে ৯২ জন, টোকিওতে ৭৭জন, কানাগাওয়াতে ৫০জন,হিয়োগোতে ৫৬জন, চিবাতে ২৯জন।
২০২০/৩/৭ রাত ৯:৫০: আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৩ জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ১০১জন, টোকিওতে ৬৪জন, আইচিতে ৭০জন, কানাগাওয়াতে ৪১জন, ওসাকাতে ৫৫জন, চিবাতে ২১জন।
২০২০/৩/৭ রাত ১১:০০: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক বিদেশী আজ মারা গেছে। আজ ইয়ামানাশি প্রিফেকচারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ২৫বছর বয়সী এক চাকুরীজীবী ও গুম্মা প্রিফেকচারে ডে-কেয়ার সেন্টারের  চল্লিশোর্ধ এক শিক্ষিকার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৪২ জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ৯৮জন, টোকিওতে ৬৪জন, আইচিতে ৬৭জন, কানাগাওয়াতে ৪১জন,ওসাকাতে ৪১জন, চিবাতে ২১জন।
২০২০/৩/৬ রাত ১১:৪৫: আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৫৫জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ৯০জন, টোকিওতে ৫৮জন, আইচিতে ৬২জন, কানাগাওয়াতে ৪০জন।
২০২০/৩/১ রাত ১০:০০: আজ হোক্কাইডোতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছে। আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ১৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ৭২জন, টোকিওতে ৩৯জন, আইচিতে ৩২জন, কানাগাওয়াতে ২৫জন, চিবাতে ১৪জন, ওয়াকাইয়ামাতে ১৩জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।
২০২০/২/২৯ রাত ১০:৪৫: আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আটজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।
২০২০/২/২৮ রাত ১০:২০: আজ জাপানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা গেছে।আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ১৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ৬৬জন, টোকিওতে ৩৬জন, আইচিতে ২৮জন, কানাগাওয়াতে ২২জন, চিবাতে ১৩জন, ওয়াকাইয়ামাতে ১৩জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।
২০২০/২/২৭ রাত ১১:০৫: আজ জাপানের হোক্কাইডো এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বয়োবৃদ্ধ একজন মারা গেছে।আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ২৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ৫৪জন, টোকিওতে ৩৬জন, আইচিতে ২৭জন, কানাগাওয়াতে ২১জন, চিবাতে ১৩জন, ওয়াকাইয়ামাতে ১৩জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। 
২০২০/২/২৬ রাত ১০:৩০: আজ জাপানের টোকিও ও হোক্কাইডো এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বয়োবৃদ্ধ দুইজন মারা গেছে।আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ১৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।এ পর্যন্ত হোক্কাইডোতে ৩৯জন, টোকিওতে ৩৫জন, আইচিতে ২৫জন, কানাগাওয়াতে ১৮জন, চিবাতে ১৩জন, ওয়াকাইয়ামাতে ১৩জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। 
২০২০/২/২৫ রাত ১০:৫০: আজ জাপানে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এদিকে আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে এগারো জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। বয়োবৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে থাকলেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত জাপানের বেশ কয়েকজন মধ্য ও অল্প বয়সী রোগীর শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক।কারো কারো জ্বর ৪০.৩ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে।
২০২০/২/২৪ রাত ১০টাঃ আজ জাপানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে দশজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।কানাগাওয়াতে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। জাপানের ৪৭টা প্রিফেকচারের মধ্যে ১৬টি প্রিফেকচারে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। 
চীনে মৃত্যুহার এখন প্রায় ৩.৩৬%।
ইরানে ৬৪জন আক্রান্ত, ১২ জন মারা গেছে; মৃত্যুহার প্রায় ১৯%।
দক্ষিণ কোরিয়া ও ইতালীতে যথাক্রমে ৮৩৩ জন ও ২২৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং ৮জন ও ৫জন মারা গেছে। তথ্যসূত্র









Realtime Status of Japan
Covid19Japan.com
করোনা ভাইরাস পরামর্শ কেন্দ্র
যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহ থাকে তাহলে আপনার নিকটস্থ করোনা ভাইরাস পরামর্শ কেন্দ্রে ফোন করে পরামর্শ করবেন। এই কেন্দ্র থেকে আপনার নিকটস্থ মেডিকেল ইন্সটিউটের তথ্য জানাবে। সারা জাপানে ৫৩৬ টি পরামর্শ কেন্দ্র চালু করেছে। পরামর্শ করবেন (বিস্তারিত)ঃ
১। যদি ৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের উপরে চারদিন ধরে জ্বর থাকলে , জ্বর কমানোর ওষুধ না খেলে জ্বর কমে না, প্রচন্ড শারীরিক দুর্বলতা এবং শ্বাসকষ্ট আছে।
২। বয়োবৃদ্ধরা যাদের শারীরিক সমস্যা যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি আছে।
৩। গর্ভবতী মহিলারা
>>> Consultation Centers (Japanese)
Essential Book
করোনা ভাইরাসের জন্য বিশেষ হাসপাতাল
জাপানে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য জাপান সরকার প্রায় ৪০০ মেডিকেল ইনস্টিটিউট নির্ধারিত করেছে। যদি ডাক্তারী পরীক্ষায় পজিটিভ আসে তাহলে খুব সম্ভবতঃ ঐ ৪০০ মেডিকেল ইনস্টিটিউটের যে কোন একটিতে পাঠিয়ে দিবে। তথ্যসূত্র
রোগ প্রতিরোধে আপনার করণীয়
১.মাঝে মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার (এ্যালকোহল/সাবান) দিয়ে হাত ধুতে হবে।
২. হাঁচি-কাশি দেবার সময় টিস্যু ব্যবহার করে ফেলে দিতে হবে এবং হাত ধুতে হবে।
৩. জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন এবং মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।
৪. বাইরে থেকে এসে হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
৫. জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখাবেন এবং বিদেশ ভ্রমণের তথ্যও জানাবেন।
৬. কোথাও বন্য প্রাণীর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন।
৭. কাঁচা মাছ-মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া সংক্রান্ত
কোন গুজবে কান দিবেন না; নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য জানুন। এ মুহুর্তে দরকার সঠিক তথ্য আর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সঠিক চিকিৎসা। জাপানের চিকিৎসা সেবা বিশ্বের অন্যতম সেরা। কাজেই কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বাংলাদেশে না গিয়ে এই জাপানে চিকিৎসা সেবা নেওয়া উচিত। যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ বাংলাদেশে যায় তাহলে সেই ব্যক্তি দেশে থাকা তার প্রিয়জনসহ যে পথে দেশে যাবে সেই পথে সেই ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা আসবে তাদেরও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। কাজেই দায়িত্বশীল আচরণ করুন।



Copyright@ Desh-Bidesh Web Portal for Bangladeshis. All rights reserved.
Location: Tokyo, Japan. For inquiry, contact info@deshbideshweb.com | deshbideshweb@gmail.com
Last updated: April 4, 2020 11:25 PM (Tokyo Time).
Before you use the website, you must read Disclaimer. More: Disclaimer | Site info | Contact